
WBBSE Madhyamik 2026 Question Papers is available for download. The West Bengal Board of Secondary Education (WBBSE) is conducting the Madhyamik exams from 2 Feb, 2026 – 12 Feb, 2026. Students can check subject-wise paper analysis along with memory-based question papers here. Download the WBBSE Class 10 Question Paper with Solution PDF from the links provided below.

সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো :
“ছদ্মবেশে সেদিন হারিয়ে রোজগার মদ হুলিনী”— কোন ছদ্মবেশে ?
ব্যাখ্যা:
উদ্ধৃত পংক্তিটি কবিতায় ব্যবহৃত হয়েছে প্রতীকী অর্থে। এখানে \emph{“ছদ্মবেশ” বলতে বাহ্যিক রূপ বা সামাজিক পরিচয়ের আড়াল বোঝানো হয়েছে। কবিতায় হুলিনী বাহ্যিকভাবে বাহিরে অবস্থান করলেও ভেতরে সে সংগ্রামী ও সচেতন সত্তা।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো বাহিরে। Quick Tip: কবিতার পংক্তি থেকে প্রশ্ন এলে শব্দের \textbf{প্রতীকী অর্থ} খেয়াল করো।
“আমি বারো তারিখ ধরেছি মানুষ”— কবিতার মানুষটি কে ?
ব্যাখ্যা:
উক্ত পংক্তিতে কবি নির্দিষ্ট একটি চরিত্রের মাধ্যমে সমাজের সাধারণ মানুষের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরেছেন। কবিতার প্রেক্ষাপটে জগদীশবাবু সেই মানুষ, যিনি সময়, সমাজ ও মানবিকতার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো জগদীশবাবু। Quick Tip: কবিতাভিত্তিক প্রশ্নে চরিত্রের নাম মনে রাখতে কবিতার \textbf{প্রেক্ষাপট} ও \textbf{মূল বক্তব্য} বুঝে পড়ো।
“আমাদের ডান পাশে বন
আমাদের বাঁয়ে ——”
ব্যাখ্যা:
উদ্ধৃত পংক্তিতে কবি ভৌগোলিক ও সামাজিক অবস্থানকে পাশাপাশি তুলে ধরেছেন।
“ডান পাশে বন” বলতে প্রাকৃতিক পরিবেশ বোঝানো হয়েছে এবং তার বিপরীতে “বাঁয়ে জনপদ” দ্বারা মানববসতি বা সভ্য সমাজের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
এই বিরোধী চিত্রকল্প (প্রকৃতি বনাম মানবসমাজ) কবিতার ভাবের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।
অতএব, শূন্যস্থানে বসবে জনপদ। Quick Tip: কবিতার শূন্যস্থান পূরণে প্রায়ই \textbf{বিরোধী বা পরিপূরক চিত্রকল্প} ব্যবহৃত হয়—এটি খেয়াল রাখো।
“ধূসরলালসা” কবিতার উৎসগ্রন্থ —
ব্যাখ্যা:
“ধূসরলালসা” কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত কাব্যগ্রন্থ প্রলয়শিখা-এর অন্তর্ভুক্ত।
এই কাব্যগ্রন্থে কবি বিদ্রোহ, শোষণবিরোধী চেতনা ও সামাজিক প্রতিবাদের ভাব প্রকাশ করেছেন।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো প্রলয়শিখা। Quick Tip: নজরুলের কবিতা-ভিত্তিক প্রশ্নে কবিতার সঙ্গে \textbf{কাব্যগ্রন্থের নাম} মিলিয়ে পড়া জরুরি।
কৃষকের দেহ কোথায় ভূপতিত ?
ব্যাখ্যা:
কবিতায় কৃষকের জীবনসংগ্রাম ও মৃত্যুর বেদনা চিত্রিত করতে কবি উল্লেখ করেছেন যে
কৃষকের দেহ যমুনা তীরে ভূপতিত।
এটি গ্রামীণ জীবন ও নদীকেন্দ্রিক শ্রমজীবী মানুষের করুণ বাস্তবতাকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো যমুনা তীরে। Quick Tip: কবিতার প্রশ্নে \textbf{নির্দিষ্ট শব্দ বা পংক্তি} হুবহু মনে রাখলে উত্তর সহজ হয়।
“শিবের কলঙ্কের মান মর্যাদা বাঁচিতে রেখেছিলেম একমাত্র ————”
ব্যাখ্যা:
উদ্ধৃত পংক্তিটি কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়-এর রচনায় ব্যবহৃত হয়েছে।
কবির কবিতায় সামাজিক দায়বদ্ধতা, আত্মমর্যাদা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রশ্ন বারবার উঠে এসেছে।
এই পংক্তিতেও মর্যাদা ও আদর্শ রক্ষার ভাব সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো সুভাষ মুখোপাধ্যায়। Quick Tip: কবিতার উদ্ধৃতি এলে কবির \textbf{ভাবধারা ও বিষয়বস্তু} মিলিয়ে উত্তর নির্ধারণ করো।
পরিচ্ছেদের উদ্দেশ্য হল —
ব্যাখ্যা:
পরিচ্ছেদ বা অনুচ্ছেদের মূল উদ্দেশ্য হলো কোনো বিষয়কে
সংক্ষিপ্ত, সুসংগঠিত ও স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা।
এর মাধ্যমে পাঠক সহজে মূল বক্তব্য বুঝতে পারে।
সুতরাং, পরিচ্ছেদের উদ্দেশ্য হলো ভাষার সংক্ষেপে অর্থ সুস্পষ্ট করা। Quick Tip: ব্যাকরণভিত্তিক প্রশ্নে আগে \textbf{সংজ্ঞা} মনে করো—তাহলেই উত্তর সহজ হবে।
বাক্যে কর্তা ও ক্রিয়া যদি একই ধাতু থেকে নিষ্পন্ন হয় তবে সেই কর্তার নাম হলো —
ব্যাখ্যা:
যে বাক্যে কর্তা ও ক্রিয়া একই ধাতু থেকে উৎপন্ন হয়, সেই কর্তাকে ব্যাকরণে
সহযোগী কর্তা বলা হয়।
উদাহরণ:
\emph{“সে হেসে উঠল” — এখানে ‘হেসে’ (কর্তা-সম্পর্কিত) এবং ‘উঠল’ একই ধাতু থেকে গঠিত।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো সহযোগী কর্তা। Quick Tip: কর্তা ও ক্রিয়ার \textbf{ধাতু একই হলে} → সহযোগী কর্তা।
যে সমাসের সাধারণ নিয়মে ব্যাসবাক্য হয় না কিংবা ব্যাসবাক্য নির্ণয় করতে গেলে অন্য পদের প্রয়োজন হয়, সেই সমাসটির নাম —
ব্যাখ্যা:
যে সমাসে সাধারণ নিয়মে ব্যাসবাক্য করা যায় না, অথবা
ব্যাসবাক্য করতে গেলে অতিরিক্ত শব্দ বা পদের প্রয়োজন হয়,
সে ধরনের সমাসকে বলা হয় নিত্য সমাস।
নিত্য সমাসে শব্দটি ভাষায় প্রচলিত ও স্থায়ী রূপে ব্যবহৃত হয়।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো নিত্য সমাস। Quick Tip: যে সমাসের ব্যাসবাক্য \textbf{সহজে করা যায় না} → নিত্য সমাস।
“স্বল্পশক্তি” — পদটির সমাস হল —
ব্যাখ্যা:
“স্বল্পশক্তি” শব্দটি গঠিত হয়েছে স্বল্প + শক্তি দ্বারা,
অর্থাৎ যার শক্তি স্বল্প।
এখানে প্রথম পদটি (স্বল্প) দ্বিতীয় পদকে (শক্তি) বিশেষণ করছে।
এই ধরনের সমাসকে বলা হয় কর্মধারয় তৎপুরুষ সমাস
(প্রশ্নে সংক্ষেপে কর্ম তৎপুরুষ বলা হয়েছে)।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো কর্ম তৎপুরুষ। Quick Tip: যেখানে প্রথম পদ দ্বিতীয় পদকে বিশেষণ করে → কর্মধারয় তৎপুরুষ।
দুটি সরল বাক্য যখন সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয় তখন তাকে বলে —
ব্যাখ্যা:
যখন দুটি বা ততোধিক সরল বাক্য
সংযোজক অব্যয় (যেমন— এবং, কিন্তু, অথবা, কিংবা ইত্যাদি) দ্বারা যুক্ত হয়,
তখন সেই বাক্যকে বলা হয় যৌগিক বাক্য।
উদাহরণ:
\emph{আমি পড়ি এবং সে লেখে।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো যৌগিক বাক্য। Quick Tip: সংযোজক অব্যয় + একাধিক সরল বাক্য → যৌগিক বাক্য।
“ফেলে আসা দিনগুলি আমার মনে পড়ে গেল।” — বাক্যটি হল —
ব্যাখ্যা:
উক্ত বাক্যটিতে একটিমাত্র কর্তা ও একটিমাত্র ক্রিয়া রয়েছে এবং কোনো উপবাক্য নেই।
অতএব, এটি একটি সরল বাক্য। Quick Tip: একটি কর্তা ও একটি ক্রিয়া থাকলে → সরল বাক্য।
যে বাক্যে কর্ম প্রধান হয়ে ওঠে তাকে বলে —
ব্যাখ্যা:
যে বাক্যে কর্তার পরিবর্তে কর্মটি মুখ্য হয়ে ওঠে এবং কর্তা গৌণ বা অপ্রকাশিত থাকে,
তাকে ব্যাকরণে কর্মবাচ্য বলা হয়।
উদাহরণ:
\emph{চিঠিটি লেখা হয়েছে। Quick Tip: কর্ম প্রধান হলে → কর্মবাচ্য।
“তোমার গল্প আমি ছাপিয়ে দেব।” — উক্তিটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
ব্যাখ্যা:
এই বাক্যে কর্তা “আমি” নিজে কাজটি করছে — অর্থাৎ গল্প ছাপানো।
কর্তা যখন নিজে কাজ সম্পাদন করে, তখন সেই বাক্যকে বলা হয় কর্তৃবাচ্য। Quick Tip: কর্তা নিজে কাজ করলে → কর্তৃবাচ্য।
“কী আশ্চর্য! চাষকে জবাই করলো!” — বক্তাটির চাষকে জবাই করার কারণ কী?
ব্যাখ্যা:
উদ্ধৃত অংশে বক্তার বিস্ময় প্রকাশ পেয়েছে। চাষের জীবনে দীর্ঘদিনের শোষণ, দারিদ্র্য ও অপমান তাকে এই চরম পথে ঠেলে দেয়। সামাজিক অবিচারই এর মূল কারণ। Quick Tip: বক্তার \textbf{বিস্ময় প্রকাশ} + দীর্ঘদিনের \textbf{শোষণ ও সামাজিক অবিচার} → চরম প্রতিক্রিয়া।
অঘোরের বয়স কত?
ব্যাখ্যা:
গল্পের বর্ণনায় অঘোরকে কিশোর হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তার বয়স বারো বছর বলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। Quick Tip: গল্পে অঘোরের বয়স \textbf{বারো বছর} উল্লেখ থাকায় তাকে \textbf{কিশোর} হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
“এই জীবন মৃত্যুর শব্দ শুনিতে শুনিতে সর্বাঙ্গ অবশ, অবসন্ন হইয়া আসিতেছে।” — কোন ‘জীবন মৃত্যুর শব্দ’ শুনিতে শুনিতে অবসন্ন হইয়া আসিতেছে?
ব্যাখ্যা:
এখানে ‘জীবন মৃত্যুর শব্দ’ বলতে মানুষের কান্না, আর্তনাদ ও মৃত্যুসংবাদকে বোঝানো হয়েছে, যা দীর্ঘদিন শুনতে শুনতে মানুষ শারীরিক ও মানসিকভাবে অবসন্ন হয়ে পড়ছে। Quick Tip: ‘জীবন মৃত্যুর শব্দ’ → মানুষের \textbf{কান্না, আর্তনাদ ও মৃত্যুসংবাদ}।
“মুখ ফিরাইয়া হাসি গোপন করিল।” — হাসি গোপন করার কারণ কী?
ব্যাখ্যা:
উক্ত অবস্থায় হাসি প্রকাশ করলে তা অসম্মানজনক হতো। তাই চরিত্রটি মুখ ফিরিয়ে নিজের হাসি আড়াল করে। Quick Tip: অনুপযুক্ত পরিস্থিতিতে হাসি → \textbf{অসম্মানজনক} বলে তা আড়াল করা হয়।
“সারা বাড়িতে সোরগোল উঠিয়া যায়।” — কী নিয়ে সোরগোল পড়ে?
ব্যাখ্যা:
গল্পে আকস্মিক কোনো ঘটনা ঘটলে বাড়ির সবাই চমকে ওঠে এবং তার ফলেই চারদিকে সোরগোল শুরু হয়। Quick Tip: গল্পে \textbf{আকস্মিক ঘটনা} ঘটলে → সবাই \textbf{চমকে ওঠে} ও \textbf{সোরগোল} শুরু হয়।
“পড়াশোনা এই মতো”— একথাটি মানে কত সময়?
ব্যাখ্যা:
“এই মতো” কথাটির অর্থ হলো খুব বেশি নয়, সামান্য বা যতটুকু প্রয়োজন।
অতএব, “পড়াশোনা এই মতো” বলতে বোঝায়— খুব বেশি পড়াশোনা নয়, অল্প সময় পড়াশোনা। Quick Tip: “এই মতো” → \textbf{খুব বেশি নয়, অল্প বা যতটুকু প্রয়োজন}।
“ক্ষমা করো”— এই উক্তির মধ্যে দিয়ে কবি কী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
ব্যাখ্যা:
“ক্ষমা করো” উক্তির মাধ্যমে কবি নিজের ভুল স্বীকার করে
অনুশোচনা, বিনয় ও আত্মসমালোচনার মনোভাব প্রকাশ করেছেন।
এটি কবির মানবিক ও সংবেদনশীল মানসিকতার পরিচয় বহন করে। Quick Tip: “ক্ষমা করো” উক্তি → কবির \textbf{অনুশোচনা, বিনয় ও আত্মসমালোচনার} প্রকাশ।
“পড়াশোনা এই মতো”— একথাটি মানে কত সময়?
ব্যাখ্যা:
“এই মতো” কথাটির অর্থ হলো খুব বেশি নয়, যতটুকু দরকার ততটুকু।
অতএব “পড়াশোনা এই মতো” বলতে বোঝায় অল্প সময় পড়াশোনা করা। Quick Tip: “এই মতো” → \textbf{খুব বেশি নয়, যতটুকু দরকার ততটুকু}।
“ক্ষমা করো”— এই উক্তির মধ্যে দিয়ে কবি কী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
ব্যাখ্যা:
“ক্ষমা করো” উক্তির মাধ্যমে কবি নিজের ভুল স্বীকার করে
অনুশোচনা ও বিনয়ের প্রকাশ ঘটিয়েছেন। Quick Tip: “ক্ষমা করো” উক্তি → কবির \textbf{অনুশোচনা ও বিনয়} প্রকাশ।
“পথশিশু, ধীরপদ চলো,” — এই ‘ধীরপদ’-এর পরিচয় দাও।
ব্যাখ্যা:
ধীরপদ গল্পে এক দরিদ্র, অসহায় পথশিশু হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে,
যে সমাজের অবহেলা ও দারিদ্র্যের মধ্যে বড় হচ্ছে। Quick Tip: ধীরপদ → \textbf{দরিদ্র ও অসহায় পথশিশু}, সমাজের অবহেলার শিকার।
“সমস্ত সমতল ধরে উঠিল ধোঁয়া”— আগুন ধরার কারণ কী?
ব্যাখ্যা:
গল্পে বা বর্ণনায় দেখা যায়, চারপাশে শুকনো ও দাহ্য বস্তু থাকায়
সামান্য আগুন থেকেই দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং ধোঁয়ায় ভরে যায় চারদিক। Quick Tip: চারপাশে \textbf{শুকনো ও দাহ্য বস্তু} থাকলে → সামান্য আগুনেই \textbf{দ্রুত আগুন ছড়ায়}।
“আমাদের পথ নেই আর—তাহলে আমাদের কী করণীয়?”
ব্যাখ্যা:
এই উক্তির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে যখন প্রচলিত পথ বন্ধ হয়ে যায়,
তখন হতাশ না হয়ে নতুন পথ ও সমাধান খুঁজে নেওয়াই মানুষের করণীয়। Quick Tip: প্রচলিত পথ বন্ধ হলে → হতাশ না হয়ে \textbf{নতুন পথ ও সমাধান খুঁজে নেওয়া} উচিত।
“তুমি সরল, আমি দুর্বল। তুমি সাথী, আমি ভীতু”— এখানে ‘তুমি’ বলতে লেখক আসলে কাকে ইঙ্গিত করেছেন?
ব্যাখ্যা:
এখানে ‘তুমি’ শব্দটি সরাসরি কোনো ব্যক্তিকে নয়, বরং মানুষের ভেতরের
সরলতা, সাহস ও নৈতিক শক্তিকে প্রতীকীভাবে নির্দেশ করেছে।
লেখক নিজের দুর্বলতার বিপরীতে এই শক্ত সত্তাকে সামনে এনেছেন। Quick Tip: গদ্যে ‘তুমি’ অনেক সময় \textbf{প্রতীকী অর্থে} ব্যবহৃত হয়—এটি মনে রাখো।
“শিশু কাঁদে কেমন গলায় ফুটিয়া ওঠে,”— তাকে কী বলে?
ব্যাখ্যা:
শিশুর কান্নার বর্ণনায় এখানে গভীর কষ্ট ও বেদনাবোধ প্রকাশ পেয়েছে।
এই ধরনের কান্নাকে বলা হয় কাতর আর্তনাদ। Quick Tip: কান্না + বেদনা + অসহায়তা = \textbf{কাতর আর্তনাদ}।
“বিজ্ঞান চর্চা এখনও নানা সংস্কার বাধা আছে”— কোন বিষয়ে এখনও বাধা আছে?
ব্যাখ্যা:
লেখক এখানে বোঝাতে চেয়েছেন যে সমাজে এখনো নানা কুসংস্কার ও
অন্ধবিশ্বাস বিদ্যমান, যা বিজ্ঞানচর্চার অগ্রগতির পথে বাধা সৃষ্টি করছে। Quick Tip: বিজ্ঞানচর্চার প্রধান বাধা = \textbf{কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস}।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস সমিতির সঙ্গে কারা কাজ করেছিলেন?
ব্যাখ্যা:
নীরদচন্দ্র চৌধুরী কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস সমিতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন
এবং ইতিহাসচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। Quick Tip: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় + ইতিহাস সমিতি → \textbf{নীরদচন্দ্র চৌধুরী}।
অনুক্ত কর্তা কাকে বলে?
ব্যাখ্যা:
যে বাক্যে কর্তা বোঝা যায় কিন্তু সরাসরি উল্লেখ থাকে না,
সেই কর্তা ব্যাকরণে অনুক্ত কর্তা নামে পরিচিত।
উদাহরণ:
\emph{খাওয়া হয়ে গেছে। — এখানে কর্তা অনুক্ত। Quick Tip: কর্তা বোঝা যায় কিন্তু লেখা নেই → \textbf{অনুক্ত কর্তা}।
জন জনে নিঃস্বয় করেছে— ‘নিঃস্বয়’ পদটি কী জাতীয় কর্ম?
ব্যাখ্যা:
এখানে ‘নিঃস্বয় করা’ অর্থাৎ কাউকে নিঃস্ব করা—
কর্তা অন্যকে কাজ করাচ্ছে। তাই এটি প্রযোজ্য কর্ম। Quick Tip: কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করালে → \textbf{প্রযোজ্য কর্ম}।
“আকাশবাণী”— সমাসবদ্ধ পদটির ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখো।
ব্যাখ্যা:
এখানে ‘আকাশের বাণী’ অর্থে শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
ষষ্ঠী বিভক্তির ভাব প্রকাশ পাওয়ায় এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস। Quick Tip: ‘কার/এর’ অর্থ থাকলে → \textbf{ষষ্ঠী তৎপুরুষ}।
দ্বিগু সমাসের একটি উদাহরণ দাও।
ব্যাখ্যা:
যে সমাসে প্রথম পদটি সংখ্যাবাচক হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
‘ত্রি + লোক = ত্রিলোক’ — এখানে ‘ত্রি’ সংখ্যাবাচক। Quick Tip: সংখ্যাবাচক প্রথম পদ → \textbf{দ্বিগু সমাস}।
অলাপ সমাস কাকে বলে?
ব্যাখ্যা:
অলাপ সমাসে কাউকে ডাকা বা সম্বোধনের ভাব থাকে।
যেমন: \emph{হে রাজা → রাজা (অলাপ সমাস)। Quick Tip: সম্বোধনের ভাব থাকলে → \textbf{অলাপ সমাস}।
বাক্য নির্ণয়ের শর্তগুলি সংক্ষেপে উল্লেখ করো।
ব্যাখ্যা:
বাক্য হতে হলে—
ভাবের সম্পূর্ণতা থাকতে হবে
কর্তা ও ক্রিয়া থাকতে হবে
শব্দগুলির মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক থাকতে হবে Quick Tip: ভাবের সম্পূর্ণতা + কর্তা + ক্রিয়া = \textbf{বাক্য}।
“হয় বাংলা পড়ো, নয় ইংরেজি পড়ো”— যৌগিক বাক্যে পরিবর্তন করো।
ব্যাখ্যা:
‘হয়—নয়’ দ্বারা বিকল্প বোঝালেও এটি মিশ্র রূপ।
সংযোজক অব্যয় ‘অথবা’ ব্যবহার করলে এটি যৌগিক বাক্য হয়। Quick Tip: দুটি সরল বাক্য + সংযোজক অব্যয় → \textbf{যৌগিক বাক্য}।
আবেগসূচক বাক্যের একটি উদাহরণ দাও।
ব্যাখ্যা:
যে বাক্যে আনন্দ, দুঃখ, বিস্ময়, ভয় ইত্যাদি আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ পায়,
তাকে আবেগসূচক বাক্য বলে। Quick Tip: আহা, হায়, বাহ্ ইত্যাদি থাকলে → \textbf{আবেগসূচক বাক্য}।
“বাড়িতে খবর দিয়েছেন।” — কর্মবাচ্যে রূপান্তর করো।
ব্যাখ্যা:
মূল বাক্যে কর্তা স্পষ্ট ছিল। কর্মবাচ্যে রূপান্তর করলে
কর্মটি প্রধান হয় এবং কর্তা গৌণ বা অনুক্ত থাকে। Quick Tip: কর্তা গৌণ + কর্ম প্রধান → \textbf{কর্মবাচ্য}।
কর্মকর্তৃবাচ্যের একটি উদাহরণ দাও।
ব্যাখ্যা:
যে বাক্যে কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করায়,
সেই বাক্যকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে।
এখানে ‘আমি’ অন্যকে (তাকে) কাজ করাচ্ছে। Quick Tip: কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করালে → \textbf{কর্মকর্তৃবাচ্য}।
*The article might have information for the previous academic years, please refer the official website of the exam.